Skip to main content

শ্বাস-প্রশ্বাসের নিয়ন্ত্রণের জন্য প্রাণায়াম ব্যায়াম এবং এর উপকারিতা।

শ্বাস-প্রশ্বাসের নিয়ন্ত্রণের জন্য প্রাণায়াম ব্যায়াম এবং এর উপকারিতা জেনে নিন ছবিতে ক্লিক করুণ-



প্রাণ-আ-যম (সংযত করা)+ ঘঞ্ করণবাচ্য।

প্রাণায়াম মূলত শ্বাস-প্রশ্বাসের নিয়ন্ত্রণ। প্রাণের আয়াম অর্থাৎ প্রাণের দীর্ঘতাই প্রাণায়াম। সঠিক নিয়মে শ্বাস গ্রহণ, ধারণ এবং ত্যাগকে নিয়ন্ত্রণের মাধ্যমই প্রাণায়াম। যোগশাস্ত্রে নাকের সাহায্যে ফুসফুসে বাতাস পুরণ করে সংরক্ষণ এবং ফুসফুস থেকে বাতাস বের দেওয়ার বিশেষ নিয়মবদ্ধ প্রক্রিয়ার দ্বারা প্রাণায়াম করা হয়। শরীরের ভিতরে বায়ুর প্রবেশ ও নিষ্ক্রমণের প্রক্রিয়ার দ্বারা, বায়ুর বিস্তার ঘটে, তার সংযম করার প্রক্রিয়াই হলো প্রাণায়াম। এই সংযমের প্রক্রিয়া পাঁচটি ধাপে সম্পন্ন হয়। এই চারটি ধাপ হলো— পূরক, অন্তর কুম্ভক, রেচক ও বাহ্য কুম্ভক।
পূরক : বাতাস দ্বারা ফুসফুস পূরণ করণ।
অন্তর কুম্ভক : বাতাস দ্বারা ফুসফুস পূরণ হওয়ার পর, কিছুকাল তা ধারণ করা।
রেচক : ফুসফুস থেকে সম্পূর্ণ বাতাস খালিকরণ।
বাহ্য কুম্ভক : ফুসফুস বায়ুশূন্য করার পর কিছুক্ষণ অপেক্ষা করা।
প্রাণায়াম অভ্যাসের জন্য চারটি বিশেষ দিকে নজর দিতে হয়। এই দিক চারটি হলো—
১. উপযুক্ত স্থান
২. বিহিত কাল
৩ পরিমিত আহার
৪. নাড়ীশুদ্ধি।
এই বিচারে যে বিষয়গুলো মান্য করা উচিৎ, তা হলো—
সকালে বা সন্ধ্যায় নির্মল বায়ুতে প্রাণায়াম অভ্যাস করা বাঞ্ছনীয়। যেখানে বিশুদ্ধ বায়ু পাওয়া সম্ভব নয়, সেখানে সকালে সুর্যোদয়ের পূর্বে প্রাণায়াম অভ্যাস করা উত্তম।
প্রাতঃক্রিয়াদির পূর্বে, স্নানের পরে অথবা কোন শ্রমসাধ্য কাজের বা ব্যায়ামের ঠিক পরে প্রাণায়াম অভ্যাস করা উচিৎ নয়। কিছুক্ষণ বিশ্রাম নিয়ে তবেই তা করা যেতে পারে।

ঠাণ্ডা আবহাওয়ায় প্রাণায়াম করা আবশ্যক নয়। এরূপ ক্ষেত্রে কফ্-প্রবণ ব্যক্তির রোগ নিরাময় না হওয়া পর্যন্ত প্রাণায়াম করা নিষেধ। তবে, রোদ উঠলে করা যেতে পারে।
ভরপেটে আসন, মুদ্রা, প্রাণায়াম কোনটাই করা উচিৎ নয়।
শীর্ষাসনের পরে যেমন আর কোন আসন করা ঠিক নয়, তেমনি প্রাণায়ামের পর তখনকার মতো আর কোন ব্যায়াম করা উচিৎ নয়।
প্রাণায়াম আট-নয় বছর বয়স থেকে আজীবন করা যেতে পারে। তবে অধিক বয়সে অভিজ্ঞদের পরামর্শ নেয়া বাঞ্ছনীয়।
তাড়াহুড়ো করে, চিন্তাযুক্ত মন নিয়ে প্রাণায়াম, আসন, মুদ্রা কোনটাই করা ঠিক নয়। মন শান্ত, ধীর ও চিন্তাশূন্য রাখার চেষ্টা করতে হবে। আসন ও মুদ্রার মতো প্রাণায়াম অভ্যাসের সময়ও একাগ্রতা থাকা আবশ্যক।
নাড়ীশুদ্ধি বা নাড়ী শোধন প্রাণায়াম কোন প্রাণায়ামের অন্তর্ভূক্ত না হলেও যে কোন প্রাণায়াম অভ্যাসের আগে তা অভ্যাস করা বিশেষ প্রয়োজন। নাড়ী শোধন প্রাণায়াম বা অনুলোম বিলোম প্রাণায়াম অভ্যাসের ফলে প্রাণায়াম অভ্যাসকারী খুব সহজেই যে কোন প্রাণায়াম অভ্যাসের পদ্ধতি সহজেই আয়ত্ত করতে পারবে।

উপকারিতা
দেহের প্রাণশক্তি বৃদ্ধি করে এবং জরা, ব্যাধি ও অকালমৃত্যুর হাত থেকে দেহকে রক্ষা করার উদ্দেশ্য প্রাণায়াম করা হয়।
১. ফুসফুসের ব্যায়ামের ক্ষেত্রে প্রাণায়াম অত্যন্ত ফলপ্রসু।
২. প্রাণায়ামের ফলে প্রায় কুড়ি প্রকার কফ থেকে অব্যাহতি পাওয়া যায়।
৩. প্রাণায়াম স্নায়ুকে অত্যন্ত কার্যকরী ও সবল করে থাকে।
জীবনে বাঁচতে হলে শরীরকে সুস্থ্য রাখা একান্ত জরুরী তাই সবাইকে বলি সময় করে একটু ব্যায়াম করবেন এবং আমার লেখাটি দয়া করে লাইক শেয়ার করবেন সবাই যেন জানতে পারে। ধন্যবাদ। 

Comments

Popular posts from this blog

December 19, 2025 real ideals ডায়বেটিসের ইনসুলিন দুধনাল গাছ।

December 12, 2025 real ideals কোষ্টকাঠিন্য এবং পেটের গ্যাস ভালো করে কচুর...

ডায়বেটিকদের ডায়েট চাট।

  ডায়বেটিকদের ডায়েট চাট ১০০% সুস্থ্য থাকে জেনে নিন -   আজ আমি বলবো কিভাবে ডায়বেটিক রোগী ব্যাক্তি ডায়েট চাট করবেন। এখানে একটি ছোট আকারে চাট দেওয়া হল : ডায়েবিটিকদের ডায়েট চাট:   নিরামিষ খাবার আমিষ খাবার ডাল রুটি সবুজ শাক সবজি তেল / মাখন ফল দই মাছ/ চিকেন ডিম      ১০০ গ্রাম ১০০ গ্রাম   ৩০০ গ্রাম   ১০০ গ্রাম ৫০০ গ্রাম  -  - ১০০ গ্রাম ১০০ গ্রাম ২৫০ গ্রাম ১৫০ গ্রাম ৩০  গ্রাম ৩০  গ্রাম  ৩০ গ্রাম ৩০  গ্রাম ২৫০ গ্রাম ৫০  গ্রাম   ১টি         লেখাটি ভালো লাগলে শেয়ার করবেন এবং কমেন্ট করে জানাবেন। ডায়বেটিক রোগীদের জন্য  সবসময় আমার আর্শিবাদ রইল সর্তক থাকুন সবাই ভালো থাকুন। ধন্যবাদ। Diabetic Diet Chat 100% Healthy -   Today I will tell you how to lick the diet of a diabetic patient. Here is a small lick: ...