Skip to main content

ডাবের জল খাওয়ার উপকারিতা।

 ডাবের জল খাওয়ার উপকারিতা ছবিতে ক্লিক করুন জেনে নিন-



পুষ্টি উপাদানে ভরপুর কম ক্যালোরি যুক্ত, টাটকা ডাবের জল খান। এটা একাধারে অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট, এনজাইম, অ্যামিনো অ্যাসিড, ভিটামিন বি-কমপ্লেক্স, ভিটামিন সি ও ক্যালসিয়াম, আয়রন, পটাশিয়াম, ম্যাঙ্গানিজ ও জিঙ্কের মতন খনিজ উপাদান মিশ্রিত, যা একসাথে রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতার উন্নতি ঘটায়।এই স্বাস্থ্যকর পানীয়ের মধ্যে সাইটোকিন নামক প্রাণীজ হরমোন থাকে, যার অ্যান্টি-এজিং, অ্যান্টিক্যান্সার ও অ্যান্টিথ্রম্বোটিক প্রভাব আছে। অতএব, সবসময়ে টাটকা ও শুদ্ধ ডাবের জল খান। রোজ কয়েক কাপ ডাবের জল খেলে কিংবা এটাকে নানান রকমের মিষ্টি রান্নার পদের মধ্যে দিলে, সেটা স্বাস্থ্য সংক্রান্ত নিম্নলিখিত উপকারিতা দেয়।

Comments

Popular posts from this blog

December 19, 2025 real ideals ডায়বেটিসের ইনসুলিন দুধনাল গাছ।

December 13, 2025 real ideals@gobindadas-f2c অন্ডকোষের ব্যাথা এবং পুরু...

নিমপাতার নিরাময়

এই গরমে এলার্জি ও খোস পাঁচড়া থেকে বাচঁতে নিমের ব্যবহার জেনে নিন ছবিতে ক্লিক করুন-   নিমের ছবি: নিমপাতা: নিমপতায় আছে বসন্ত রোগের প্রতিষেধকতার গুণ। অনেক অসুখের আক্রমণ থেকে নিমপাতা শরীরকে বাচাঁয়। নিমপাতার নিম ঝোল খেলে মুখের রুচি ফেরে। স্বাদে তেতো নিমপাতায় আছে জীবানুনাশক ক্ষমতা।  ১। মানুষের দেহে কোন ক্ষত বা ঘা, খোস পাঁচড়াই যাই হোক না কেন, নিমপাতা জলে ফুটিয়ে সেই জল দিয়ে ধুলে ঘা শুকিয়ে যায়। ২। কাঁচ নিমপাতা ও হলুদ একসঙ্গে বেটে সমস্ত গায়ে মাখলে চুলকানি দাদ প্রভৃতি চর্মরোগ বিনাশ হয়। সেজন্যেই হামরোগে, বসন্তে নিম হলুদ মাখানো হয়। ৩। কচি নিমপাতা বেটে গাওয়া ঘিয়ের সঙ্গে মিশিয়ে ফোঁড়ার উপর লাগিয়ে কলাপাতা মুড়ে ২৪ ঘন্টা বেঁধে রাখরে ফোঁড়া শুকিয়ে যায়। ৪। নিমছাল শুকিয়ে গুঁড়ো করে সেই গুঁড়ো ঘায়ের ওপর দিয়ে বেঁধে রাখরে ঘ শুকিয়ে যায়। ৫। নিমপাতা বা নিমছালের রস ২ চামচ পরিমাণে কিছু মধু মিশিয়ে রোজ সকারে যদি পান করা যায়, তবে কমলা রোগ সারে। ৬। রোজ সকালে খালি পেটে নিমছাল ও নিমপাতা বেটে তার বড়ি করে খেলে কৃমি নিরাময় হয়। ৭। নিমফুল বেটে মাথায় মাখলে উকুন নষ্ট হয়। ৮। বসন্তকালে নিমপাতা ভাজা খেলে হাম বসন্ত ইত্যাদি হও...